ক বি আ মি নু ল ই স লা ম
আমিনুল ইসলাম
জন্ম :২৯ ডিসেম্বর ১৯৬৩ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ।নয়ের দশকের কবি-প্রবন্ধিক-নজরুল গবেষক।
প্রকাশিত গ্রন্থ:-
কবিতা:-তন্ত্র থেকে দূরে-(২০০২); মহানন্দা এক সোনালি নদীর নাম-(২০০৪); শেষ হেমন্তের জোছনা(২০০৮); কুয়াশার বর্ণমালা (২০০৯); পথ বেঁধে দিল বন্ধনহীন গ্রন্থি-(২০১০); স্বপ্নের হালখাতা(২০১১); প্রেমসমগ্র-(২০১১); জলচিঠি নীলস্বপ্নের দুয়ার-(২০১২); শরতের ট্রেন শ্রাবণের লাগেজ-(২০১৩); কবিতাসমগ্র-(২০১৩); জোছনার রাত বেদনার বেহালা : (২০১৪) ; তোমার ভালোবাসা আমার সেভিংস অ্যাকউন্ট ( ২০১৫) প্রণয়ী নদীর কাছে (২০১৬), ভালোবাসার ভূগোলে(২০১৭); নির্বাচিত কবিতা ( ২০১৭); অভিবাসী ভালোবাসা ( ২০১৮) , জলের অক্ষরে লেখা প্রেমপত্র (২০১৯) ( বাছাই কবিতা ( ২০১৯), প্রেমিকার জন্য সার-সংক্ষেপ ( ২০২০), হিজলের সার্কিট হাউস(২০২১)।
ছড়া:-দাদুর বাড়ি-(২০০৮);ফাগুন এলো শহরে-(২০১২) ৩. রেলের গাড়ি লিচুর দেশ (২০১৫)।
প্রবন্ধ:-বিশ্বায়ন বাংলা কবিতা ও অন্যান্য প্রবন্ধ-(২০১০)।
গবেষণা:-নজরুল সংগীত : বাণীর বৈভব ( বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত)।পুরস্কার/সম্মাননা:- রাজশাহী সাহিত্য পরিষদ সাংগঠনিক সম্মাননা ২০০৪; বগুড়া লেখক চক্র স্বীকৃতি পুরস্কার ২০১০ ;শিশুকবি রকি সাহিত্য পুরস্কার ২০১১ নজরুল সংগীত শিল্পী পরিষদ সম্মাননা ২০১৩,এবং মানুষ সাহিত্য পুরস্কার ২০১৭ ;দাগ সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮,কবিকুঞ্জ পদক ২০২১;পূর্বপশ্চিম সাহিত্য পুরস্কার ২০২১।
দুটি কবিতায়
নিভৃতচারীর পৃথিবী
পুরোনো গাছের গুড়ি; গুড়ির কোটরে বাসা বেঁধে
নিরীহ মুনিয়া ভাবে
সে যোগ দেবে না প্রতিবাদী ফিঙের মিছিলে
কা-কা স্লোগানে দেবে না কান
যেই কথা সেই কাজ;
অথচ তারপরও নষ্ট হয় নিদ!
কীটনাশকের ঘ্রাণ, গোখরোর শ্বাস
বিষের আঙুলে
সুড়সুড়ি দেয় নাকডাকা নাকে;
মগডালে বসে--
নাতিনাতনিদের কাহিনী শোনায় ব্যাঙ্গমা-
এক যে ছিল নিরামিষাশী পাদ্রী
আর এক ছিল ইয়া মোটা ষাঁড়...!
পৃথিবীতে একার পৃথিবী বলে কোনো কিছু নেই।
দুঃসময়ের ডানা
পুরোনো বাগান ঘেঁষে মউ মউ করছে
সুদখোর দুপুরের রোদ আর
তার ছোঁয়া লেগে ফারাক্কা-প্রযোজিত
চৈতী-পদ্মা ডালে বাঁধা ছায়া
এসব দেখে-শুনে এক সবুজ তাড়নায়
তোমার কাছে এসেছি;
আমি জানি-এই অজগর সময়ে
তুমি কোনো ওয়েলফেয়ার স্টেট নও
তবু শ্যামল-উঠোনের ঐতিহ্যসূত্রে
প্রত্যাশা এই যে---বোশেখী বাগানের
এক বিকেল ছায়া বাড়িয়ে কাছে নেবে তুমি;
আমার চেতনায় স্টেথোস্কোপ লাগিয়ে দেখো-
হাঙরের অনিদ্রার মতো
সময়ের অভিশাপ জেগে আছে সারাক্ষণ-
ছুটো..ছুটো..ছুটো..
আমি বসে থাকতে গেলে
ডানাগুলো ভাঁজ হতে চায় না;
তো শুয়ে থেকেই কাটিয়ে দাও না ভাই !
শুয়ে থাকতে গেলেও যে ভূমিকম্পের দুলুনি লাগে পিঠে !
তো বুঝতেই পারো-
এই ঝুলন্ত নিয়তি নিয়েই তোমার কাছে এসেছি
একবার আন্তঃমহাদেশীয় ফ্লাইটের মতো রিফুয়েলিং করে নিতে চাই।


তিনি বর্তমান সময়ের একজন শক্তিশালী কবি তাতে কোনও সন্দেহ নেই।
ReplyDelete