ক বি অ ম লে ন্দু বি শ্বা স
অমলেন্দু বিশ্বাস
জন্ম:-২৪ নভেম্বর ১৯৫৯, জেলার সালকিয়াতে।আটের দশকের অগ্রগণ্য কবিও প্রাবন্ধিক।গোটা কৈশোর, যৌবনকাল ও শিক্ষাজীবন অতিবাহিত হয় উঃ২৪ পরগণার ঠাকুরনগরে। এখানে বসবাসকালে কিংবদন্তি কবি বিনয় মজুমদার এর সঙ্গে আলাপ থেকে তার গভীর সান্নিধ্য থেকেই তার কবিতার অভিযাত্রা আজও অব্যাহত রয়েছে। তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ -ডুবুরী বেরিয়েছিল ১৯৮৪ সালে। এই গ্রন্থের প্রারম্ভ থেকেই পাঠকের সমাদৃত লাভ করেন।।৩৭ বছর ধরে সম্পাদনা করে চলেছেন 'নৌকো' সাহিত্য পত্র। দু বাংলায়তো বটে,এমনকি বিদেশেও অজস্র লেখা প্রকাশিত হয়।।এ যাবত্ তার প্রকাশিত গ্রন্থ ১৪টি।।তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কবিতাগ্রন্থ -লক্ষীর পা, শাদা পাতা, তোমাকে, বিনম্র সনেটগুচ্ছ, নির্বাচিত কবিতা সংগ্রহ,। আর কবি ও কবিতা বিষয়ক গদ্যগ্রন্থ -যেভাবে দেখেছি কবিদের। সম্মাননা:- কবি অনিল দাস স্মারক সম্মান, কবি বিনয় মজুমদার স্মারক সম্মান, কবি দ্বিজেন্দ্রলাল রায় স্মারক সম্মান, ডঃ বি. আর.আম্বেদকর স্মারক সম্মান ও উত্তরবংগ নাট্য জগৎ স্মারক সম্মান।
চক্কর
চাঁদ পেড়ে খাবো বলে রাতের তস্কর
এই আমি আজ পথে - গলিপথে
চক্কর মারছি দ্যাখো ওই ঝুলবারান্দায়,
নীল জানালায় আর গূঢ় দরোজায়।
প্রহরী বোঝার আগে তোমাকে ফুঁসলিয়ে
নিয়ে যাবো আজ সুনির্জন জলতলে
যেখানে মীনকুমারী এখনো জাগর ----
আছে পাঁকের কোটরে। হরিণী নয়ন
মেখে নিয়ে মায়াঞ্জন নীলাভ শরীরে।
ওই মুখপুরি তুই ওঠ আঁধার বিজনে
ভয় নেই আজ আর পেঁচা তোকে
ডানা ঝাপ্টে আছড়াবে না সরু ঠোঁটে।
তোকে আজ পেড়ে আনা চাঁদের মোহিনী
দিয়ে দ্যুতিমাখা কুহুরঙে রাঙাবে শিথানে।
হরিসন্ধ্যা
বসে থাকে হরিসন্ধ্যা প্রজ্জ্বলিত তুলসীতলায়।
তোমার আঁচল ধরে নেমে আসা গোধূলি আলোয়
দেখি আমি প্রতিপদে অবিরল দ্বিতীয়ার চাঁদ
চোখের মণিতারায় ঝুলে থাকা অপাংক্তেয় ছাদ।
নতুন আঁধার কোনে নথের লুকোনো আলোলিকা
উত্কর্ণ শ্রবণতীরে প্রতীক্ষার নীল অবসান
হতে পারে, হতে পারে জবা আলো ফুলেল আঘ্রাণে
চিন্ময়ী চেতনা চিদে তৃতীয় মৃন্ময়ী উন্মোচন
হবে ঠিক, হবে ঠিক মাংগলিক প্রশস্ত উঠোনে
রূপনূর জাগরীর অখণ্ড আলোক বিভাবরী!


Comments
Post a Comment